I touch you.
You quiver like a sea-fish.
I cover you with my net.
What are you—banded one?
পুকুর
তুমি কি জীবিত?
আমি ছুঁয়ে দেখি তোমায়।
সমুদ্রের মাছের মত তুমি কেঁপে কেঁপে ওঠ।
আমার জাল দিয়ে তোমায় ঢেকে দিই।
তুমি কি বলো তো - ডোরাকাটা রূপ?
পুকুর
তুমি কি জীবিত?
আমি ছুঁয়ে দেখি তোমায়।
সমুদ্রের মাছের মত তুমি কেঁপে কেঁপে ওঠ।
আমার জাল দিয়ে তোমায় ঢেকে দিই।
তুমি কি বলো তো - ডোরাকাটা রূপ?
এইটা আমার একটা ছবি
আবহাওয়ার খবর: কুয়াশাচ্ছন্, বৃষ্টি আর অন্ধকার
এটা সত্যি যে কুয়াশা তার আলিঙ্গনে ঘিরেছিল বাড়িগুলোকে
জানলায় ঘমা এঁকেছিল আর এ শহরের প্রত্যেকের ঘাড় পেঁচিয়ে
ঘুরেছিল, যারা আজ বাইরে ঘোরাঘুরি করতে বেরিয়েছিল তাদের।
আমার অন্যায় হয়েছে - কিন্তু তুমি আমায় উত্তপ্ত করেছ।
আর দিনের বেলার অন্ধকার? আমি চোখ বুজেছিলুম
আর গোটা শহর আমার সঙ্গে চোখ বুজে রয়েছিল।
কিন্তু বৃষ্টিপাতের দোষ সে আমার নয়।
কাটাতে প্রাণ যায়
ওই বিশাল সাগর যা আমার
মুঠোর কব্জায়
আর ওই এক ফোঁটা জল
সামলানো বড় দায়।
এক জীবন তার সঙ্গ ছাড়াই
অনায়াসে যায়
আর ওই এক মুহূর্ত তবু থাকে
যা কাটাতে প্রাণ যায়।
আয়না
আমি রুপোলী আর যথাযথ। আমার কোনো পূর্ব-সংস্কার নেই।
আমি যা দেখি তা তক্ষুনি গিলে ফেলই
ঠিক যেমন তেমনই, ভালোবাসা বা ঘৃণার কুয়াশায় অস্পষ্ট নয়।
আমি নিষ্ঠুর নই। সত্যনিষ্ঠ কেবলমাত্র,
এক অকিঞ্চিৎ ঈশ্বরের দৃষ্টি, চার চৌকো।
বেশীরভাগ সময়ে আমি ধ্যানমগ্ন হয়ে ওপারের দেয়ালে ঝুলি।
গোলাপি দেয়ালটায় দাগের ছিটে। আমি এতদিন ধরে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছি
বলে ও বোধহয় আমার হৃদয়ের অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু ও তিরতির করে কাঁপে।
কয়েকটা মুখ আর আঁধার আমাদের মাঝে ব্যবধান আনে বার বার।
এখন আমি দীঘি এক। এক নারী আমার ওপর ঝুঁকে পড়ে,
আমার গভীরে সে খোঁজে নিজের আসল রূপের ছবি।
তারপর সে মুখ ঘোরায় ওই মিথ্যুক মোমবাতিগুলো বা চাঁদের দিকে
তার পিঠের প্রাতিচ্ছবি আমি বিশ্বস্তভাবে ফুটিয়ে তুলি।
তার চোখের জল আর হাতের উৎকণ্ঠায় আমার পুরস্কার।
আমি তার কাছে জরুরি। সে আসে আর যায়।
প্রত্যেক সকালে তার মুখই আঁধারের প্রতিস্থাপন।
আমার বুকে সে এক যুবতীকে ডুবিয়েছে, আর আমার বুক থেকে এক বৃদ্ধা
তার দিকে দিনের পর দিন উন্নীত হয়, এক ভীতিপ্রদ মাছের মত।
তোমার পায়ের নীচে কোনো জমিই তো নেই
তোমার পায়ের নীচে কোনো জমিই তো নেই
তবু দেখো সে বিষয়ে তোমার মনে প্রত্যয়ও তো নেই।
আমি এই নিরাশ্রয় আঁধারকে ভোর বলি কি করে
আমি এই দৃশ্যাবলীর অন্ধ দর্শক তো নই।
তোর মুখের ভাষা মিথ্যা গণতন্ত্রের মত
নির্লজ্জ গালির চেয়ে বেশী কোনো পরিচয় তোর নেই।
তোমাকেই ভালোবাসি তোমাকেই নিই অন্তরে
আমি লেখক আদতে রাজসভার, জারজ তো নই।
তোকে দিব্যি দিলুম, নিজেকে আর নষ্ট করিস না
তুই এই যন্ত্রের ভাগ মাত্র, গোটা যন্ত্র হওয়ার দায় তোর নেই।
নিশ্চয় অনেক খ্যাতি বয়ে এনেছেন এখানে
এ দেশ দেখার মতন বটে, তবু তার বাহারি রূপ তো নেই।
আচার ব্যবহারে অল্প কিছু রদবদল তো কর
তোমার হাতে কলার থাকে যেন, আস্তিন হলে কোনো লাভ নেই।
একাকী
দুপুরের ধুসর সোনালি জালে বোনা
রাতের মুখ বোরখা পরা
ঘুমন্ত ঝিলে খুঁটিবাতির পাহারানা
সোঁদালের লতানে পথ ধরা।
নলখাগড়ার দল চুপিচুপি আকাশকে বলে
কোনো এক নাম - তার নাম
আমার প্রাণ হঠাৎ উল্লাসে ডানা মেলে,
লজ্জায় হুঁশ হারালাম।
জোনাকি
জোনাকির আলো
বিজ্ঞানের বইতে তার তো কোন নাম নেই ভালো
অদ্ভুতুড়ে কিছু এর চেয়ে কি বা ভাবা যায়
এই কেমন উড়ে বেড়ায় অজ্ঞাত আলোটাকে ধরে
কোনো একজনের পাছায়।
link to the original poem: https://www.best-poems.net/ogden_nash/index.html?page=2
এক যে ছিলো বুড়ো, মুখটা ঢাকা লম্বা দাড়ির বনে
বলল হেঁকে, "ঠিক এই ভয়টাই ছিল আমার মনে!
একটা মুরগি, পেঁচা খান দুই,
চারটে চাতক, একটা চড়ুই
আমার দাড়িতে বাসা বেঁধেছে কেন যে কে জানে।"
মেঝেহীন ঘর
বেশ হয় যদি ঘরের মেঝে একটা থাকে!
বিশেষ পাত্তা দিইনি কখনো দরজাটাকে,
কিন্তু এই নিরন্তর হামাগুড়ি দেওয়া
মেঝেটা যদিও যাবেনা তো ছোঁয়া
কি যে ক্লান্তিকর আপদ তা বোঝাই কাকে!
জরান দেওয়া ভাষা
সেই প্রথম শিলালিপিকার জানতেন
জিহ্বার চঞ্চলতার কথা।। মুখের কথা,
একবার ছিটকে বেরুলে, আর ফেরত নেওয়া
যায় না। তবু তাকে অমরত্বের পারে
বাঁচিয়ে রাখা মুশকিল। পাথরের ফলকে
ভাষাকে জারিয়ে রাখার দায় ছিল
খোদাইকারের হাতে। লেখার হরফে
মনে রাখার আনুষ্ঠানিক উত্তরণ। প্রণয়ীরা
সে কথা অনেকদিন ধরেই জানে, চিঠিপত্রে,
অসামান্য সাহিত্যের বিনিময় নির্জন পথে
লুকোনো দুই হৃদয়ের মাঝে। শব্দ কিছু
লেখা কেবল কাগজের টুকরোয়
কত দিন অক্লেশে আগলেছে
হৃদয়ে আসন্ন কালবৈশাখীর থেকে।
পালানো সময়ের চতুর্দশপদী কবিতা
ভেবেছিলুম আমরা আসলে ঠিক যেমন
রইলুম না আমরাই তো সেই একই।
সময়ের কালে মেরামতি আর ভুলের যত ভাঙন
সেই মেরামত করা, জানি ভুল আবার হবে ঠিকই।
যা পিছনে ফেলে এসেছি বলে নিশ্চিত ছিল জানা
চামড়ার কোষে তাকেই তো এত দূর এনেছি
মনে বইব অতীতের সে ভার, সেটাই ছিল মানা
ঘা তো শুকোবেই শুধু দাগ থেকে যায় শুনেছি।
এখন দেখি সময়ের কাছে বসে আছি হেরো হয়ে
সেখানেই আছি আটকে গোড়ায় ছিলুম যেখানে
এগোনোর ভ্রম শুধু বাস্তবিক মূকাভিনয়ে
শরীর আর মনের ফারাক মাপি শতেক যোজনে।
কিসের অভাব এখন ভালোই বুঝি তাই
দেখি কালের পথে পিছু টেনেছিল পালানো সময়টাই।
শপথ
আমার ব্যর্থতাকে আমি প্রবল ভাবে অনুভব করছি
যেন সে আমার শরীরের অত্যাবশ্যক অঙ্গ বুঝি।
কত শত ঈশ্বর আমার মাথার পাশ দিয়ে গড়ে বেরিয়েছে
তুমি টুপি দিয়ে ঢাকতে পারবে না তাকে আর আমিও আর
ওই পাশ ফিরে শুতে পারি না, এতই তুলতুলে সে সব।
আমি তো এত বিশ্বস্ত ছিলুম না
যে এই ভার বয়ে পাহাড়ের চুড়োয় নিয়ে যেতে পারব।
উনিশ বছর বয়সে যখন শপথ নিয়েছিলুম
তখন কি জানতুম যে ঈশ্বরেরা এত ক্ষমাহীন?
ভীতির সাফল্য একনিষ্ঠ পরিচারক তৈরিতে
আর সাহসিকতা প্রতারণা করে। জেগে দেখি
আমি মোটেই বিশেষ জেগে নেই ।
ডোবা
ঠাণ্ডা, ভেজা ভেজা পাতা
শ্যাওলা রঙের জলের ওপর ভেসে আছে
আর ব্যাঙগুলোর নিরলস গ্যাঙর গ্যাং -
ফাটা ঘণ্টার শব্দে গোধূলির আলো নামে।
রুটি আর সংসদ
একজন লোক
রুটি বেলে
একজন লোক রুটি খায়
এক তৃতীয় ব্যক্তিও আছে
যে রুটি বানায়ও না, খায়ও না
সে রুটি নিয়ে শুধুই খেলা করে
আমি জিজ্ঞাসা করছি -
'ওই তৃতীয় ব্যক্তিটি আদতে কে?'
আমার দেশের সংসদে শুধুই মৌনতা।
শরতের ভূদৃশ্য
১
অশিষ্ট আকাশের প্রমত্ততা
শেষ হল।
সবুজ ঢেউয়ের লহরা
উঠেছে অস্থির ক্ষেতের বুকে।
২
আখের সাদা সাদা ফুল
মসীকৃষ্ণ আকাশকে করে বিদীর্ণ
ফিসফিসিয়ে যেমন শরতের শব্দ আসে -
প্রতি কবিতারও যেন নিজস্ব ঋতু থাকে।
৩
আলোর প্রতিটি মরীচিতে -
অপার বিস্ময়।
গভীর প্রণয়ে -
শব্দের ঘুম ভাঙে।
আমি গোটা শহর ঘুরে এলুম
গাড়ি লাগাবার জন্যে
জায়গা খুঁজতে খুঁজতে
আমি গোটা শহরটা ঘুরে এলুম:
বিমার কিস্তি দিতে দিতে
কেটে গেল সমস্ত জীবনটা।
ফুল চন্দনের উৎসর্গে
ছিন্ন হলুম অতীতের থেকে
এখন যার মধ্যে আমার যাপন
তার সঙ্গে দেখা হলেই বা কি করব?
দেঁতো হাসির পোশাকি অভিবাদন?
अकाल और उसके बाद
कई दिनों तक चूल्हा रोया, चक्की रही उदास
कई दिनों तक कानी कुतिया सोई उनके पास
कई दिनों तक लगी भीत पर छिपकलियों की गश्त
कई दिनों तक चूहों की भी हालत रही शिकस्त
दाने आए घर के अंदर कई दिनों के बाद
धुआँ उठा आँगन से ऊपर कई दिनों के बाद
चमक उठी घर भर की आँखें कई दिनों के बाद
कौए ने खुजलाई पाँखें कई दिनों के बाद
আকাল আর তারপর
অনেকদিন ধরেই উনুনের চোখে জল, বিষণ্ণতা জাঁতার মুখে
অনেকদিন ধরে ওখানেই শুত কানা কুকুরটা, আধপেটা অসুখে
অনেকদিন ধরেই দেয়ালে মঝেতে টিকটিকিরা টহলে ব্যস্ত
অনেকদিন ধরে ইঁদুরেরা খিদের কামড়ে ক্লান্ত বিপর্যস্ত।
চাল-গমের দানা ঘরেতে এল অনেকদিনের পর
উঠোন থেকে ইঁদুর এলো উঠে অনেকদিনের পর
বাড়ি ভর্তি চোখগুলোতে প্রাণের ঝিলিক অনেকদিনের পর
কাকগুলো সব পাখা চুলকোয় অনেকদিনের পর।